অতীতস্মরণ–৩: মায়ের সঙ্গে সিনেমা দেখার সেই পুরোনো দিনের স্মৃতি

অতীতস্মরণ–৩: মায়ের সঙ্গে সিনেমা দেখার সেই পুরোনো দিনের স্মৃতি

 

SEO Title

অতীতস্মরণ–৩: মায়ের সঙ্গে সিনেমা দেখার সেই পুরোনো দিনের স্মৃতি

Meta Description

বর্তমানের একটি সিনেমা থেকে ফিরে দেখা মায়ের সঙ্গে পুরোনো দিনের সিনেমা দেখার স্মৃতি, পারিবারিক ভালোবাসা, পছন্দ-অপছন্দ এবং জীবনের কিছু গভীর উপলব্ধির গল্প।



অতীতস্মরণ বা Flashback কী?




মানুষের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অতীতের অনেক ঘটনা নতুন করে মনে পড়ে। বর্তমানের কোনো ঘটনা, কথা, মানুষ কিংবা দৃশ্য হঠাৎ পুরোনো কোনো স্মৃতির দরজা খুলে দেয়।

আমার বয়স এখন ষাটের কাছাকাছি। শরীর আগের মতো টগবগ করে না। কিন্তু কোনো ঘটনা সামনে এলে অতীতের অনেক ঘটনা মনে পড়ে যায়।

ভাবি—বর্তমানের এই ঘটনার সঙ্গে অতীতের কোনো ঘটনার কি মিল আছে? আমার দীর্ঘ জীবনে এমন কোনো ঘটনার সঙ্গে কি আমার সম্পর্ক হয়েছিল?

সেই পুরোনো ঘটনা মানুষের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার মধ্যেও এক ধরনের আনন্দ আছে। হয়তো এতে কারও কোনো লাভ নেই, আবার কারও কোনো ক্ষতিও নেই। কিন্তু সামান্য হলেও যদি কারও ভালো লাগে, বিনোদন হয় কিংবা নিজের জীবনের কোনো স্মৃতি মনে পড়ে—তাহলে সেই প্রাপ্তি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।

আর লেখকের নিজের প্রাপ্তি?

লেখার আনন্দের কোনো হিসাব হয় না।


এশিয়া কাপ ক্রিকেট থেকে সিনেমা—তারপর অতীতে ফিরে যাওয়া

এশিয়া কাপ ক্রিকেট ২০২৫ শেষ হলো। নাটকীয়তায় পরিপূর্ণ এই টুর্নামেন্টে নিজের দেশ বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের খেলা দেখে অনেকেই যেমন উত্তেজিত হয়েছেন, আমিও তার ব্যতিক্রম নই।

তবে এবার আমার খেলা দেখা কিছুটা ব্যতিক্রম ছিল।

আমার বড় ছেলে সি.এস.ই. পড়ে। হঠাৎ তার কম্পিউটারের মনিটর নষ্ট হয়ে গেল। মনিটরের নিচের অংশে দাগ হয়ে যাওয়ায় ঠিকমতো দেখা যাচ্ছিল না। গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো যেহেতু স্ক্রিনের নিচের অংশেও করতে হয়, তাই মনিটর প্রয়োজন হয়ে পড়ল।

অগত্যা আমাদের স্মার্ট টিভিটাকেই কম্পিউটারের মনিটর বানানো হলো।

ফলে আমাদের টিভিতে অনুষ্ঠান বা ইউটিউব দেখা বন্ধ।

ছেলে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে, দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকে। অন্যদিকে আমরাও নিজেদের নানা কাজে ব্যস্ত থাকি।

সেপ্টেম্বরের ২৮ তারিখ থেকে অক্টোবরের ৮ তারিখ পর্যন্ত স্কুল-কলেজে লম্বা ছুটি। ছোট ছেলে তখন টিভি দেখতে চায়। স্ত্রীরও দেখতে ইচ্ছা করে। আমারও।

এক রাতে এশার নামাজের পর সবাই একসঙ্গে বসেছি।

ছেলে বলল,

“এখন তোমরা দেখতে পারো।”

আমি বললাম,

— “তা কতক্ষণের ব্রেক?”

সে বলল,

“যতক্ষণ ইচ্ছা।”

আমি বললাম,

— “আমি ইন্টারনেটে বাংলা একটা অনুষ্ঠান দেখব।”

ছোট ছেলে বলল,

“না, আমি ব্যাটম্যান কমিক দেখব।”

স্ত্রী কিছু বলল না।

আমি বললাম,

“তোর মায়ের জন্য শাকিব খানের ‘তাণ্ডব’ ছবিটা ছেড়ে দে।”

বড় ছেলে বলল,

“ওটা একটা ছবি হলো নাকি? আমি একটা ছবি ছেড়ে দিই, দেখো। দেখার পর কমেন্ট কোরো।”

আমাদের মতামত পাওয়ার আগেই সে একটি হিন্দি সিনেমা চালু করে দিল।

সিনেমার নাম ‘লাকি ভাস্কর’

দুলকার সালমান অভিনীত এই সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে ব্যাংকিং জগতের আর্থিক অনিয়ম ও প্রতারণাকে কেন্দ্র করে। সিনেমাটিতে উত্তেজনা ও থ্রিলের পাশাপাশি চরিত্রগুলোর উত্থান-পতন সুন্দরভাবে দেখানো হয়েছে।

একটি জানা ঘটনা বা পরিচিত ধরনের গল্পকেও কীভাবে আকর্ষণীয়ভাবে দর্শকের সামনে উপস্থাপন করা যায়, সিনেমাটি তার একটি ভালো উদাহরণ।

চাকরিতে বাধা, প্রমোশন না পাওয়া, বাইরে অতিরিক্ত কাজ করা, ধীরে ধীরে বড় ঝুঁকির মধ্যে জড়িয়ে পড়া—সব মিলিয়ে গল্পটি দর্শককে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখে।

আমার বড় ছেলে এবং আমি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সিনেমাটি দেখলাম।

ছবি শেষ হওয়ার পর বেশ তৃপ্তি পেলাম।

তারপর হঠাৎ খেয়াল করলাম—

আরে! আমার স্ত্রী তো পনেরো মিনিটের মধ্যেই চলে গেছে!

আর তখনই ঘটল আমার অতীতস্মরণ—Flashback।


সেই পুরোনো দিনের সিনেমা

একসময় বিনোদনের মাধ্যম ছিল খুব সীমিত।

আমাদের মতো মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় মাধ্যম ছিল বিটিভি

সিনেমা, নাটক, বিজ্ঞাপন, ছায়াছন্দ, ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান—এসব দিয়েই মানুষের বিনোদন চলত।

এর বাইরে কেউ আরও বেশি বিনোদন চাইলে সিনেমা হলে যেত।

সিনেমার খবর পাওয়া যেত দৈনিক পত্রিকায় অথবা টেলিভিশনের বিজ্ঞাপনে।

একসময় টেলিভিশনে একটি সিনেমার বিজ্ঞাপন বেশ জোরেশোরে প্রচার হচ্ছিল।

সিনেমার নাম ‘নান্টু ঘটক’

বিজ্ঞাপনে গানের কিছু অংশ বারবার দেখানো হতো। গানগুলো দর্শকদের বেশ আকর্ষণ করত।

আমার প্রয়াত আম্মা সেই বিজ্ঞাপন দেখে সিনেমাটি দেখার আগ্রহ প্রকাশ করলেন।

সাধারণত তিনি সিনেমা দেখতে চাইতেন না। এমনকি রাস্তাঘাটও খুব একটা চিনতেন না। সহজ-সরল একজন গৃহিণী ছিলেন।

তাঁর এই আগ্রহ দেখে তাঁকে সিনেমা দেখানোর দায়িত্ব আমার ওপর পড়ল।

আর আমি তো সিনেমাপ্রেমী মানুষ!

ফলে প্রস্তাবে মহাখুশি।




আমার আম্মার কথা

সিনেমার ঘটনাটি বলার আগে আম্মার একটি ঘটনা মনে পড়ে।

একদিন তাঁকে নিয়ে আত্মীয়ের বাসায় গিয়েছিলাম।

ফেরার পথে আমাদের বাসার কাছাকাছি এসে রিকশা থেকে নেমে ভাড়া মিটিয়ে তাঁকে বললাম,

“আম্মা, তুমি বাসার গেটে গিয়ে নামো। আমি একটু কাজ সেরে আসছি।”

রিকশাওয়ালাকে বললাম,

“বামে যেও।”

আমি একজন সহপাঠীর গেটে নক করতে যাচ্ছি। হঠাৎ মনে হলো—আম্মা কি ঠিকমতো বাসায় পৌঁছেছে?

তিনি তো রাস্তাঘাট খুব একটা চিনতেন না।

আমি নক করা বাদ দিয়ে দৌড়ে গলির মাথায় গেলাম।

দেখি কোনো রিকশা নেই।

মনে হলো—হয়তো সোজা আদর্শ স্কুলের দিকে চলে গেছে!

তারপর আমি এমন দৌড় দিলাম যে, মনে হচ্ছিল অলিম্পিকের গোল্ড মেডেলিস্টের রেকর্ড ভেঙে ফেলব!

ঠিকই ভেবেছিলাম।

আদর্শ স্কুলের সামনে একজন মহিলা রিকশাওয়ালার সঙ্গে তর্ক করছেন। চারপাশে মানুষ দাঁড়িয়ে তাকিয়ে আছে।

দূর থেকেই নিজের মাকে চিনতে আমার কোনো অসুবিধা হলো না।

আম্মা রিকশাওয়ালাকে বলছেন,

“এতদূর তো না, এত দূরে কেন নিয়ে আসলে?”

রিকশাওয়ালা বলছে,

“আপনের বাড়ি আপনে চিনেন না, তো আমি কী করুম?”

আমি কাছে গিয়ে শুধু বললাম,

“পিছনে যাও।”

এই ছিলেন আমার আম্মা।

ঘর-সংসার, সন্তান, স্বামী এবং মেহমানদের দেখাশোনা—এই ছিল তাঁর পৃথিবী।

দুনিয়ার আর কোনো কিছুর প্রতি তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল না।


আম্মাকে নিয়ে সিনেমা হলে

এমন একজন মানুষকে নিয়ে সিনেমা দেখতে যাওয়ার দায়িত্ব যখন আমার ওপর পড়ল, তখন আমি আনন্দিতই হয়েছিলাম।

আমরা বিকেল ছয়টার শো দেখার জন্য বের হলাম।

সিনেমা হলের নাম স্টার

পাটুয়াটুলির সেই এলাকার সিনেমা হলগুলোর কথা এখনও মনে পড়ে।

স্টার সিনেমা হলের রাস্তার বিপরীতে ছিল মুন সিনেমা হল।

সেদিন স্টার হলে চলছিল ‘নান্টু ঘটক’, আর মুন হলে চলছিল ‘দোস্ত দুশমন’

‘নান্টু ঘটক’ নতুন সিনেমা হওয়ায় ভালো টিকিট প্রায় শেষ।

নিচের শ্রেণির টিকিট পাওয়া যাচ্ছিল।

মাকে নিয়ে ছবি দেখতে এসেছি। যিনি বছরে হয়তো একটি সিনেমাও দেখেন না, তাঁকে নিয়ে নিচের শ্রেণির টিকিটে বসব—এতে আমার মন সায় দিল না।

অন্যদিকে ‘দোস্ত দুশমন’ ছিল পুরোনো এবং জনপ্রিয় সিনেমা।

তখন অনেকেই বলত, এটি নাকি ‘শোলে’র অনুকরণ এবংএটার সামনে   ‘শোলে’ কিছুই নয়।

তখন অবশ্য আমি ‘শোলে’ দেখিনি।

পরে ভিডিওতে ‘শোলে’ দেখার পর বুঝেছিলাম, সেই ধারণাটি কতটা ভুল ছিল।

কিন্তু তখনকার আমার কাছে ‘দোস্ত দুশমন’ ছিল অসাধারণ একটি সিনেমা।

আমি মাকে বললাম,

“আম্মা, এই ছবির টিকিট নেই। চলো মুনে গিয়ে ‘দোস্ত দুশমন’ দেখি।”

আম্মা বললেন,

“থাক, তাহলে বাড়ি চলে যাই।”

আমি বললাম,

“এসেছি যখন, দেখেই যাই।”

দুইটা ভালো টিকিট কেটে হলে গিয়ে বসলাম।

ছবির আর কী বর্ণনা দেব!

যারা সেই সময় সিনেমা দেখেছেন, তাঁরা নিশ্চয়ই ছবিটি সম্পর্কে জানেন।

কিন্তু সিনেমা শেষ হওয়ার পর দেখি আম্মার মুখে আনন্দ নেই।

বাড়ি ফিরে সবাই বলল,

“টিকিট না পেলে চলে আসলেই তো পারতি! আম্মাকে এই ছবি দেখাতেই হবে?”

আমি তখন ঠিক করলাম—না, এবার ‘নান্টু ঘটক’ মাকে দেখিয়েই ছাড়ব।


শেষ পর্যন্ত ‘নান্টু ঘটক’

পরের বৃহস্পতিবার, অর্থাৎ সিনেমাটির শেষ দিনের দুপুরের শোতে আবার আম্মাকে নিয়ে স্টার সিনেমা হলে হাজির হলাম।

হলে গিয়ে শুনলাম, সিনেমা ভালোই জমেছে। অর্থাৎ পরের সপ্তাহেও চলবে।

ছবি শুরু হলো।

গল্পে একটি ছোট ছেলে ঘটকালি করতে চায়। বাবার রুহের বখশিশ দেওয়ার উদ্দেশ্যে শুরু হওয়া সেই ঘটনা ধীরে ধীরে নানা মজার পরিস্থিতি তৈরি করে।

আলমগীর, সুচরিতা, ওয়াসিম ও অঞ্জনার অভিনয়ে দর্শকরা বেশ আনন্দ পেলেন।

আমার আম্মাও আনন্দ পেলেন।

সিনেমা শেষ হওয়ার পর বাড়ি ফেরার সময় আম্মার মুখের আনন্দ দেখে আমার নিজের মনও আনন্দে ভরে গেল।

দোস্ত দুশমন দেখেও যে মানুষটি আনন্দ পাননি, ‘নান্টু ঘটক’ তাঁকে আনন্দ দিতে পেরেছিল।

সেদিন বুঝেছিলাম—সব মানুষের ভালো লাগা এক রকম নয়।


পছন্দ-অপছন্দ মানুষের নিজের

আম্মা আজ আর পৃথিবীতে নেই।

আমার বয়সও ষাট পার হয়েছে।

জীবনের এতগুলো বছর পার করে এখন বুঝতে পারি—আল্লাহ সবাইকে এক মন দিয়ে সৃষ্টি করেননি।

যদি সবাই একইভাবে চিন্তা করত, একই জিনিস পছন্দ করত, তাহলে পৃথিবীতে এত বৈচিত্র্য থাকত না।

মানুষের পছন্দ-অপছন্দ, ভালো লাগা-মন্দ লাগা—এসব তার নিজের চিন্তা ও অনুভূতির সঙ্গে জড়িত।

এগুলো জোর করে চাপিয়ে দেওয়া যায় না।

জোর করে কাউকে কোনো কিছু পছন্দ করানো যায় না।

বরং অনেক সময় জোর করতে গেলে হিতে বিপরীত হয়।

আমার পরিচিত একটি পরিবারের ঘটনাও এর উদাহরণ।

একজন ছেলে ও একজন মেয়ে বিয়ে করতে চেয়েছিল। ছেলে দেখতে সুন্দর, শিক্ষিত, ভালো চাকরি করে এবং আর্থিকভাবেও ভালো অবস্থানে ছিল।

মেয়েটিরও পারিবারিক ও আর্থিক অবস্থা খারাপ ছিল না।

কিন্তু মেয়েটি দেখতে সুন্দর নয়—এই কারণে ছেলের পরিবার সম্পর্কটি মেনে নেয়নি।

শেষ পর্যন্ত তারা আলাদা হয়ে গেল।

পরে মেয়েটির সন্তানও হয়নি, কিন্তু ছেলেটি তাকে মেনে নিয়েছিল।

এই ঘটনাগুলো আমাকে একটা কথাই মনে করিয়ে দেয়—

পছন্দ-অপছন্দের ওপর জোর চলে না।

কারও ভালো লাগা অন্য কারও কথায় তৈরি হয় না।


যার নয়নে যারে লাগে ভালো

তাই শেষ পর্যন্ত মনে হয়—

“যার নয়নে যারে লাগে ভালো,
যার দিলে যার দিল হারালো।”

এই ভালো লাগা, এই হৃদয়ের টান—সবকিছু মানুষের হাতে নয়।

মানুষের মনের ভেতর ভালোবাসা ও ভালো লাগার যে অনুভূতি সৃষ্টি হয়, সেটি আল্লাহরই সৃষ্টি।




তাই অন্যের পছন্দকে সম্মান করা উচিত।

নিজের ভালো লাগা অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা না করাই ভালো।

আমার আম্মা ‘দোস্ত দুশমন’ পছন্দ করেননি, কিন্তু ‘নান্টু ঘটক’ দেখে আনন্দ পেয়েছিলেন।

আজ তিনি নেই।

কিন্তু সেই সিনেমা হল, সেই রিকশা, সেই বিকেল, সেই মায়ের আনন্দিত মুখ—সবকিছু এখনও আমার স্মৃতির ভেতর জীবন্ত।

হয়তো এটাই অতীতস্মরণ।

বর্তমানের একটি ঘটনা হঠাৎ অতীতের দরজা খুলে দেয়।

আর মানুষ ফিরে যায় সেই সময়ের কাছে—

যেখানে প্রিয় মানুষগুলো এখনও স্মৃতির ভেতর বেঁচে থাকে।


Disclaimer

এই লেখাটি লেখকের ব্যক্তিগত স্মৃতি, অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে রচিত। এখানে বর্ণিত মতামত ও উপলব্ধি লেখকের নিজস্ব।



📢 আপনার মতামত জানান

আপনার জীবনে এমন কোনো পুরোনো স্মৃতি আছে কি, যা বর্তমানের কোনো ঘটনা হঠাৎ মনে করিয়ে দেয়?

আপনার স্মৃতির কথা মন্তব্যে জানাতে পারেন।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
নবীনতর পূর্বতন